বগুড়ায় ছাত্রলীগ কর্মী হত্যা মামলার প্রধান ০৩আসামি, গ্রেফতার।

মোঃ
এর
আবু জুয়েল। বগুড়া প্রতিনিধি।

বাদিনী মোছাঃ তহিরন বেগম বগুড়া জেলার সদর থানায় হাজির হয়ে এজাহার দায়ের করেন যে আসামি শাকিবের সাথে মারপিটের ঘটনায়, আসামের পিতা মিলু বাদী তার ছেলে মোঃ আরিফ (২১) পিতা-মো‌ঃ জহুরুল মন্ডল, সাং সুলতানগঞ্জ পাড়া থানা ও জেলা বগুড়া কে এক নং আসামি করে বগুড়া সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং ৫৬তাং,১৯/১০/২০২৩ইং, ধারা,১৪৩/৩৪১/৩২৪/৩২৬/৩০৭/
পেনাল কোড, যা বর্তমানে তদন্তধীন আছে। তার ছেলে উক্ত মামলায় প্রায় ১৮দিন, জেল হাজতে ছিল। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে বাদিনীর ছেলের জামিন হয়। তারপর থেকে আসামিগণ তার ছেলেকে খুন করার জন্য বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় গত, ০৫/১২/২০২৩ইং, তারিখে
রাত্রি অনুমানিক, ১০.৩০.ঘটিকায় বাদিনীর ছেলে আরিফ (২১) বগুড়া সদর থানাধীন সুলতানগঞ্জ পাড়া স্বদেশ হাসপাতালের সামনে আসা মাত্র উপরোক্ত সকল আসামিগণসহ অজ্ঞতানামরা পূর্ব প্রকল্পিত ভাবে একই উদ্দেশ্যে হাতে ধারালো দেশীয় অস্ত্র অস্ত্র সহ। আরিফের উপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং গুরুতর যখন করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। পড়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বাদীনির ছেলে, আরিফকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তাৎক্ষণিকভাবে বগুড়া জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বিপিএম পিপিএম, (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মহোদয় সার্বিক দিক নির্দেশনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও প্রশাসন অর্থ জনাব মোঃ স্নিগদা আক্তার পিপিএম পুলিশ সুপার পদোন্নতিপ্রাপ্ত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল জনাব মোঃ শরাফাত ও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাহহান অলিউল্লাহ এর গোয়েন্দা তথ্যের সহযোগিতায়, ১২/১২/২০২৩ইং, তারিখে ডিএমপি ঢাকা রমনা মডেল থানাধীন কাকরাইল মসজিদে অভিযান পরিচালনা করে এই চাঞ্চল্যকর নিশংস হত্যাকাণ্ডের সহিত সরাসরি জড়িত মূল আসামি, ১/মোঃ সাকিব শেখ (১৯)
এজাহার নামীয়, আসামি ২/সানমুন শেখ (২৩) উভয়: পিতা মোঃ মিলু শেখ।৩/মোঃ হিমেল শেখ (২৩), পিতা মোঃ হাতেম আলী ওরফে খেলা, সাং নিশিন্দারা পূর্ব খাঁ পাড়া। থানা ও জেলা বগুড়াকে গ্রেফতার করে।
। বগুড়া সদর থানায় বিষয়টি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে অভিযান পরিচালনা করে এবং আসামিদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। সেই সাথে হত্যাকাণ্ডের ব্যবহৃত দুটি লোহার হাসুয়া তিনটি এসএস পাইপ সহ একটি রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিগণ তাদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন